Tuesday, January 24, 2012

‘প্রেমের মূল্য’ দিচ্ছেন জ্যাকুলিন!

শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ সম্ভবত পরিচালক সাজিদ খানের প্রেমে ভালো রকমই মজেছেন। প্রেমিকের কথা রাখতে, তাঁর প্রেমের মূল্য দিতেই এ পর্যন্ত খান তিনেক ছবির ভালো প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন জ্যাকুলিন।
আগের প্রেমিক বাহরাইনের প্রিন্সের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ প্রেমে পড়েন বলিউডের নির্মাতা সাজিদ খানের। তবে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো জ্যাকুলিনের ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে যে কারণটি জানিয়েছে, সেটি এককথায় বললে বলতে হয়—প্রেমের মূল্য দিচ্ছেন জ্যাকুলিন।
জানা গেছে, নতুন করে আর কোনো ছবিতে খোলামেলা ও বিকিনি দৃশ্যে জ্যাকুলিনের অভিনয়ের বিষয়টি সাজিদ খান চাইছেন না! অথচ খোলামেলা দৃশ্যে ছবি সাজানোর ব্যাপারে বলিউডে সাজিদ খানের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে! এখন সাজিদই আর চাইছেন না অন্যের ছবিতে খোলামেলা দৃশ্যে তাঁর ‘নায়িকা’ জ্যাকুলিনের অভিনয়! এদিকে জ্যাকুলিনও সাজিদের অনুমতি ছাড়া অন্য কোন ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাবে আর সাড়া দিচ্ছেন না।
বিষয়টি দাঁড়িয়েছে এমন যে ছবির প্রস্তাব আসলে স্ক্রিপ্ট আগে পড়ছেন সাজিদ, ছবিতে খোলামেলা দৃশ্য থাকলে জ্যাকুলিনকে স্রেফ ‘না’ জানিয়ে দিতেই পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। আর জ্যাকুলিনও ঠিক তা-ই করছেন। রেস ২, জিসম ৩—ছবিগুলো থেকে বাদ পড়া পেছনেও এই প্রেমের মূল্যই কারণ!
শুধু তা-ই নয়, টিএনএন জানিয়েছে, কৃষ ৩ থেকে সরে দাঁড়ানোর পেছনেও সাজিদেরই পরামর্শ ছিল। সাজিদ চাননি কৃষ ৩-এ হূতিক রোশনের সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করুন জ্যাকুলিন।
প্রেমে বাহবা কুড়ালেও সম্ভবত জ্যাকুলিন এসব আকর্ষণীয় ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারকেই বিপন্ন করছেন। টিএনএন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিচালকের বরাতে এমন কথাই জানিয়েছে।

ভূপেনদা ফুলের মালা উপহার দিয়েছিলেন

৫ নভেম্বর পৃথিবীকে বিদায় জানিয়ে চলে গেলেন মানবতাবাদী সংগীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকা। তাঁর প্রতি আনন্দের এই শ্রদ্ধাঞ্জলি

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় থেকে ভূপেন হাজারিকার গান শুনছি। তখন থেকেই তাঁর প্রচুর গান শোনা হতো। ১৯৭৫ সালের কথা। তখন আমি ইন্টারমিডিয়েটে পড়াশোনা করছি। আলমগীর কবির তখন সীমানা পেরিয়ে ছবিটির নির্মাণকাজ নিয়ে ব্যস্ত। একদিন জানতে পারি, ছবিটির ‘বিমূর্ত এই রাত্রি আমার’ গানে কণ্ঠ দিতে তিনি আমাকে নির্বাচন করেছেন। তারপর উনি আমাদের বাসায় আসেন এবং আমার বাবাকে রাজি করান। তাও আবার ভূপেন হাজারিকার সুরে! এটা যে আমার জন্য কী আনন্দের ছিল, তা বলে বোঝাতে পারব না। আনন্দের পাশাপাশি প্রচণ্ড ভয়ও কাজ করছিল। এরই মধ্যে ১৯৭৫ সালের একটা সময়ে বড় বোন রেবেকা সুলতানা, দুলাভাই মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, আলমগীর কবিরসহ কলকাতায় গেলাম। উঠলাম লিটন হোটেলে। সেখানে গিয়ে দেখা হয় জয়শ্রী কবিরের সঙ্গে। বিশ্রাম শেষে হোটেলে প্রথম দেখি ভূপেনদাকে। বিষয়টা তখনো অবিশ্বাস্যই মনে হচ্ছিল। আমাদের গানের রেকর্ডিং ছিল কলকাতার টেকনিশিয়ানস স্টুডিওতে। ভূপেনদার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর কুশল বিনিময় করে তিনি আলমগীর কবিরের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, আমি ঠিকভাবে গাইতে পারব কি না। আগে গানটার মানে বোঝার জন্য আমাকে উপদেশ দিয়েছিলেন। সত্যি বলতে, আমি তখন গানটার অর্থ না বুঝেই বলেছিলাম, গাইতে পারব। এরপর আমি সেদিন হোটেলে বসে গানটি শিখি এবং অর্থ বোঝার চেষ্টা করি। পরদিন স্টুডিওতে প্রথমে দুবার মহড়া করলাম, একবার মাইক্রোফোনে প্র্যাকটিস করলাম। এরপর অবশ্য দুবারেই গানটার ঠিকভাবে রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়। গানটি রেকর্ডিংয়ের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক, মালা সিনহা, সাগর সেনসহ জয়শ্রী কবিরের পরিচিত অনেকে। গানটিতে আমার সঙ্গে সেখানকার বেশ কয়েকজন শিল্পী কোরাসও করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন সন্ধ্যা মুখার্জির মেয়ে। যে সন্ধ্যা মুখার্জিকে নিয়ে আসলে সব সময় স্বপ্ন দেখতাম, তাঁরই মেয়ে আমার সঙ্গে কোরাস গাইছেন! এটাতে আমি বেশ অবাকই হয়েছিলাম। গানটি শোনার পর ভূপেনদা বেশ প্রশংসা করেছিলেন। এবং আমার গলায় একটি ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছিলেন। ওনার কাছ থেকে প্রশংসা আর ফুলের মালা পাওয়ায় নিজেকে খুব সৌভাগ্যবতী মনে হচ্ছিল। আর যে ভয়টা ছিল সেটা মুহূর্তেই দূর হয়ে গিয়েছিল।
এরপর আশির দশকে বেশ কয়েকবার আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। প্রতিবারই ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছে। অনেক আড্ডা দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামী রফিকুল আলমের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। উনিও দুবার ঢাকায় এসে আমাদের বাসায় এসেছিলেন। সে সময় প্রচুর আড্ডা দিয়েছি। দাদা ছিলেন খুবই রসিক একজন মানুষ। যখনই কোনো আড্ডায় বসতাম, সারাক্ষণ তিনি মাতিয়ে রাখতেন সবাইকে।
ভূপেনদা শিল্পী হিসেবে যেমন ছিলেন অনেক বড় মাপের, মানুষ হিসেবে ছিলেন আরও অনেক বড় মাপের। কলকাতায় যখন আমি ‘বিমূর্ত এই রাত্রি আমার’ গানটি গাইতে যাই, তখন হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়ি। তিনি চিকিত্সক ডেকে আমাকে স্যালাইন দিয়ে ওষুধপথ্য খাইয়ে সুস্থ করে তোলেন। চোখ মেলে দেখি, ভূপেনদা আমার পাশে বসে আছেন। বিষয়টি আমাকে বেশ অবাক করে। পরে শুনেছিলাম, আড়াই ঘণ্টা উনি এভাবেই বসে ছিলেন।
সীমানা পেরিয়ে ছবির গানটি করার পর ওনার সঙ্গে আরও কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু পরে ওনার ব্যস্ততা আর আমার গাফিলতির জন্য তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। শেষের ১০-১২ বছর দাদার সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগই হয়নি। তবে মাঝে কয়েকবার ফেসবুকে ওনাকে পেয়েছিলাম। সেখানেই অল্প কিছুক্ষণের জন্য দু-একবার আলাপ হয়। সর্বশেষ মাস তিনেক আগে উনি জানতে চেয়েছিলেন, কবে আমি কলকাতায় যাচ্ছি। আমি বলেছিলাম, এই ডিসেম্বরেই আসছি। এটিই ছিল ভূপেনদার সঙ্গে আমার শেষ কথা।
পরে অবশ্য ‘বিমূর্ত এই রাত্রি আমার’ গানটি ভূপেনদা লং প্লেতেও করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি যতবারই গানটি করেছিলেন, প্রতিবারই আমার নাম উল্লেখ করতেন। উনি আমাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন, আদর করতেন। এককথায়, উনি একেবারেই অন্য রকম একজন মানুষ ছিলেন। ওনার সঙ্গে আড্ডা দিলে কথায় কথায় কখন যে সময় পার হয়ে যেত, সেটা টেরই পেতাম না।

লোগোর নকশা বিজয়ী নাজমুন নাহিদ


প্রথমবারের মতো এবার ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসব ২০১২ ও দশম বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের লোগোর নকশা করার সুযোগ পেয়েছিল অলিম্পিয়াডের প্রতিযোগীরা। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কেউ হাতে এঁকে, কেউ বা কম্পিউটারে এঁকে তাদের প্রিয় উৎসবের লোগোর নকশা করে পাঠিয়েছে। লোগোর নকশা চিঠিযোগে এসেছে ৪৩টি আর ই-মেইলে এসেছে ৩২টি। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৫ জন বন্ধু যুক্ত হয়েছিল এই কাজে। আর এই ৭৫টি লোগোর নকশা থেকে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান ও প্রথম আলোর প্রধান শিল্পনির্দেশক শিল্পী অশোক কর্মকারের নেতৃত্বে একটি কমিটি চূড়ান্তভাবে সেরা লোগো নির্বাচন করে। ঘোষণা অনুযায়ী সেরা হওয়া লোগোকে কিছুটা পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে শিল্পী নিয়াজ চৌধুরী তুলি ও শিল্পী অশোক কর্মকার তৈরি করেছেন গণিত উৎসব ২০১২-এর লোগো।
‘কে করবে লোগোর নকশা’-এর বিজয়ী নাজমুন নাহিদ। সে ভিকারুননিসা নূন কলেজের একাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তার লোগোর নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে গণিত উৎসব ২০১২-এর লোগো। অভিন্দন নাজমুন নাহিদ।

আবার তোপের মুখে ফেসবুক ও গুগল

আদালতের পর এবার ফেসবুক ও গুগলের সমালোচনায় মুখর হলেন ভারতের প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। এসব সাইটে প্রকাশিত আপত্তিকর তথ্য ও মন্তব্যগুলো সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
ভারতের প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মারকান্ডে কাটজু বলেন, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক ও গুগলের উচিত আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত থাকা। কারণ, সাইট দুটির কর্তৃপক্ষ তাদের সাইট থেকে আপত্তিকর বিষয়গুলো সরিয়ে ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে।
গতকাল বুধবার ভূপালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কাটজু বলেন, ‘আমি নিজে ওই সব সাইটে প্রকাশিত লেখাগুলো দেখেছি। বিষয়গুলো অত্যন্ত আপত্তিকর, যা সামাজিক সৌহার্দ্য নষ্ট করতে পারে। আর তারা এসব লেখা ঠেকাতে ব্যর্থ হলে সাইট দুটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
টেলিযোগাযোগমন্ত্রী কপিল সিবালকে সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি কাটজুর মন্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সবার নজরে এনেছেন। প্রতিদিন প্রকাশিত বিপুলসংখ্যক তথ্য থেকে এসব আপত্তিকর তথ্য বাদ দেওয়া অসম্ভব বলে সাইটগুলোর কর্তৃপক্ষের উত্থাপিত যুক্তি খারিজ করে দেন সাবেক এই বিচারপতি।
পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত খবরের সমালোচনা করে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমগুলো প্রকৃত সমস্যা এড়িয়ে যাচ্ছে। তারা দারিদ্র্য বা কৃষকদের আত্মহত্যার খবর বাদ দিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে কোন তারকার সন্তান হবে বা কোন চিত্রতারকা মারা গেলেন ইত্যাদি। সমালোচনার পাশাপাশি বিচারপতি কাটজু বলেন, তিনি কোনো কিছু জোর করে চাপিয়ে দিতে চান না। বরং আশা করেন, একসময় কাউন্সিলের সব সদস্য তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত হবেন। তবে সদস্যরা একমত না হলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত মেনে নিয়ে চলবেন বলে জানান। পিটিআই।

মুক্ত ইন্টারনেটের দাবিতে প্রতিবাদ

মুক্ত ইন্টারনেটের দাবিতে গতকাল বুধবার বিশ্বসেরা কয়েকটি ওয়েবসাইট তাদের সাইট এক দিনের জন্য বন্ধ রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টপ অনলাইন পাইরেসি অ্যাক্ট (সোপা) ও প্রটেক্ট আইপি অ্যাক্ট (পিপা) নামের দুই আইনের প্রতিবাদে এক দিন সাইট বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই তালিকায় রয়েছে মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার ইংরেজি সংস্করণ, মজিলা, ওয়ার্ডপ্রেস, রেড্ডিট, চিজবার্গার নেটওয়ার্ক, ললক্যাট মিমিস, বোয়িংবোয়িং, ক্রেইগসলিস্ট, মাইনক্রাফটসহ ৫৮টি ওয়েবসাইট। এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে গুগলও। গুগল তাদের প্রথম পৃষ্ঠায় লিখে রেখেছে, ‘কংগ্রেসকে বলুন: দয়া করে ওয়েব সেন্সর করবেন না।’ এই তালিকায় ফেসবুকও যোগ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মুক্ত তথ্যকোষের ভান্ডার উইকিপিডিয়া তার ইংরেজি সংস্করণও বন্ধ রেখেছে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে। এই প্রতিবাদকে সমর্থন জানিয়ে বাংলা উইকিপিডিয়ার পক্ষ থেকেও নোটিশ লাগানো হয়েছে। উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস ব্ল্যাকআউট সম্পর্কে বলেন, ইন্টারনেটের ভবিষ্যতের জন্য এই আইনটি হুমকিস্বরূপ। ব্ল্যাকআউটের সময় উইকিপিডিয়ায় দেখা গেছে শুধু কালো ও সাদা রঙের একটি পৃষ্ঠা, যেখানে লেখা ছিল, ‘এমন একটা বিশ্ব কল্পনা করুন, যেখানে জ্ঞান উন্মুক্ত নয়।’
উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরেই সোপা বিল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে বিতর্ক চলছে। বিলটির পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে অনেক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান। বিলটির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ডিএনএস লেভেলে ওয়েবসাইট ব্লক করে দেওয়াসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে। তবে এ আইনের ব্যাপারে হোয়াইট হাউস তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। গত শনিবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, ‘আমাদের বিশ্বাস, এই বিল আইনে রূপান্তরিত হলে ইন্টারনেটে ব্যবসার উন্মুক্ত দ্বার উন্মোচন হবে এবং অবৈধ সাইটগুলোর অত্যাচার থেকে আমরা মুক্ত হতে পারব।’ আইনের বিস্তারিত আছেhttp://en.wikipedia.org/wiki/Wikipedia:SOPA_initiative/Learn_more ঠিকানায়। —বিবিসি অবলম্বনে নুরুন্নবী চৌধুরী

অল্প স্বল্প গল্প

পুরোটাই গুজব
মার্কিন মুলুকের আরাম-আয়েশ ছেড়ে স্বভূমে এসে মাধুরী দীক্ষিত বেশ আরামেই ছিলেন। বাবা-মা, বোনদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, ছেলেদের নতুন স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন, স্বামী শ্রীরাম নেনে মুম্বাইয়ের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছেন—সব মিলিয়ে জীবন চলছিল ছবির মতো। তবে উটকো ঝড়ের মতো গুজব-গুঞ্জনও যেন পিছু ছাড়ছে না মাধুরীর। শুরুতে গুজব হলো—মাধুরী তাঁর সাবেক প্রেমিক সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে সাত্তে পে সাত্তা রিমেকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। পরবর্তী খবর, ইশকিয়া সিকুয়্যাল দেধ ইশকিয়াতে নাসিরুদ্দিন শাহ-আরশাদ ওয়ার্সির বিপরীতে মাধুরী অভিনয় করছেন। নতুন খবর—মাধুরী এক বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করতে গিয়ে প্রযোজককে ১৬ হাজার টাকার খাবারের বিল ধরিয়ে দিয়েছেন। মাধুরী এসব খবরের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে লেখেন, পত্রিকায় যা পড়েন, সব বিশ্বাস করবেন না। আগে মানতাম, যা রটে তার কিছু হলেও ঘটে। কিন্তু এখন দেখছি, অকারণেই খবরের শিরোনাম হচ্ছি। মাধুরীর সচিব রাকেশ নাথ বলেন, মাধুরী কখনোই এতটা নির্বোধ নন যে প্রযোজককে উল্টোপাল্টা বিল ধরিয়ে দেবেন। প্রকৃত সত্য হলো, মাধুরী এবার দেশে এসে কোনো বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজই করেননি। ফিল্মিক্যাফে ডট কম।

শান্তির খোঁজে রিচার্ড গিয়ার
ক্রমশ অশান্ত হয়ে উঠছে বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে এশিয়া, রাজনৈতিক থেকে অর্থনৈতিক সংকটে টালমাটাল বিশ্বে মানুষ এখন খানিকটা শান্তি আর স্থিতিশীলতার জন্য উন্মুখ। সম্প্রতি হলিউডের অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার এমনই এক বিশ্বশান্তি কামনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সম্প্রতি ভারতে এসেছিলেন। তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের বোধ গয়ায় আসেন গিয়ার।
প্রিটি ওম্যান, অ্যান অফিসার অ্যান্ড এ জেন্টেলম্যান ও রানওয়ে ব্রাইড খ্যাত এই হলিউডের তারকা তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার বিশিষ্ট অনুসারী হয়েও বিশ্বশান্তি কামনায় আয়োজিত ১০ দিনের এ আয়োজনে দালাই লামার একজন সাধারণ ভক্তের মতোই অংশ নিয়েছেন। বোধ গয়ার আধ্যাত্মিক পরিবেশে অভিভূত গিয়ার শান্তির জন্য প্রার্থনা ছাড়াও গৌতম বুদ্ধ যেখানে বোধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তার খুব কাছে প্রায় দেড় হাজার বছরের প্রাচীন মহাবোধি মন্দিরে বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনও করেছেন। বোধ গয়ায় রিচার্ড গিয়ারের এই শান্তি কামনা যেন বিশ্ববাসীর মনের কথাই বলছে।

ব্রডওয়ের হুডিনি!
এক্সমেন খ্যাত হলিউডের অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান ব্রডওয়ের মঞ্চে ফিরছেন দীর্ঘ সময় পরে। সেলুলয়েডের জন্য টানা কাজ করলেও মঞ্চেও সমান সাবলীল হলিউডের এই তারকা। ৪৩ বছর বয়সী এ অভিনেতা ব্রডওয়ের মঞ্চে বিখ্যাত জাদুকর হুডিনির চরিত্রে অভিনয় করবেন। নাটকটি লিখবেন অস্কারজয়ী আরন সরকিন ও ব্রডওয়ের মঞ্চে নাটকটি আসবে ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে।
এ নাটকের গীত ও সংগীত যিনি করবেন; সেই স্টিফেন সোয়ার্টজ ‘উইকেড’-এর সংগীতায়োজন করেছিলেন। হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান সর্বশেষ ব্রডওয়েতে অভিনয় করেছিলেন ২০০৯ সালে। কিথ হাফের আ স্টিডি রেইন নাটকে।
সুপারহিরো চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি পেয়েছেন জ্যাকম্যান। এই তারকাখ্যাতির সর্বশেষ পালক সম্ভবত এক্সমেন সিক্যুয়েলের উলভারাইন চরিত্রটির কারণেই। অবশ্য সেলুলয়েড ছাড়াও জ্যাকম্যান তাঁর অভিনয়জীবনের একটি অংশ মঞ্চে কাটিয়েছেন। ব্রডওয়ের মিউজিক্যাল থিয়েটারে এই নাচ-গান-অভিনয়ে পারদর্শী তারকা এবার ফিরছেন জাদুকর চরিত্রে, তাও যে সে জাদুকর নন। তাঁর নাম হুডিনি। অবশ্য জ্যাকম্যানও ফেলনা কেউ নন। এবার ব্রডওয়ের মঞ্চে জ্যাকম্যান জাদুতে হুডিনি কতটা ফোটেন, দেখার বিষয় সেটিই।
লচ্চিত্রের খুদে দর্শক আর খুদে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য আজকের দিনটি অবশ্যই একটু অন্য রকম হবে। কারণ, আজ তারা আড্ডা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানের সঙ্গে। হ্যাঁ, সাকিবের সঙ্গে এই আড্ডার আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের কর্তৃপক্ষ।
উৎসবের পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম জানান, এই উৎসবে সারা দেশ থেকে ১৫০ জন শিশু প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছে। সঙ্গে আছে এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া খুদে নির্মাতারা। তারা সবাই থাকবে এই আড্ডায়। চাইলে খুদে দর্শকেরাও আসতে পারবে এখানে।
তিনি আরও জানান, এই আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে আজ সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল